যাদু টোনা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে,কুফরি কালাম থেকে মুক্তির উপায়, কুফরি মন্ত্র,কুফরি কালাম কি,কুফরি বিচ্ছেদ তাবিজ কবজ

যাদু টোনা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে,কুফরি কালাম থেকে মুক্তির উপায়, কুফরি মন্ত্র,কুফরি কালাম কি,কুফরি বিচ্ছেদ তাবিজ কবজ যাদু টোনা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে,কুফ
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

আজকের বিষয়: ইসলামের জাদু ও ভাগ্যগণ,ইসলামে জাদু ও তাবিজ এর কুফল,ইসলামে জাদুর পরিচয় ও তার বিধান,জাদু করা কুফরি ও কবিরা গোনাহ,জাদু করা ইসলামে নিষিদ্ধ,ইসলামে জাদু-টোনার চর্চা নিষিদ্ধ,কুফরি কালাম থেকে মুক্তির উপায়,যাদু টোনা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে জাদু ও ভাগ্যগণনা

জাদু ও ভাগ্যগণনা কুফর ও শির্কের পর্যায়ভুক্ত হারাম। জাদু তো পরিষ্কার কুফর এবং সাতটি ধ্বংসাত্মক কবীরা গুনাহের অন্যতম। জাদু শুধু ক্ষতিই করে, কোনো উপকার করে না। জাদু শিক্ষা করা প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন,
﴿وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمۡ وَلَا يَنفَعُهُمۡۚ﴾ [البقرة: ١٠٢]

“তারা এমন জিনিস (জাদু) শিক্ষা করে, যা তাদের অপকারই করে, কোনো উপকার করে না”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১০২]
তিনি আরো বলেন,

وَلَا يُفۡلِحُ ٱلسَّاحِرُ حَيۡثُ أَتَىٰ ٦٩﴾ [طه: ٦٩]
“জাদুকর যেভাবেই আসুক না কেন সে সফল হবে না”। [সূরা ত্বোয়াহা, আয়াত: ৬৯]

জাদু চর্চাকারী কাফের। মহান আল্লাহ বলেন,
وَمَا كَفَرَ سُلَيۡمَٰنُ وَلَٰكِنَّ ٱلشَّيَٰطِينَ كَفَرُواْ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحۡرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلۡمَلَكَيۡنِ بِبَابِلَ هَٰرُوتَ وَمَٰرُوتَۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنۡ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحۡنُ فِتۡنَةٞ فَلَا تَكۡفُرۡۖ﴾ [البقرة: ١٠٢]
“সুলায়মান কুফুরী করেন নি। কিন্তু কুফুরী করেছে শয়তানেরা। তারা মানুষকে শিক্ষা দেয় জাদু এবং বাবেলে হারূত-মারূত নামের দু’জন মালাকের ওপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছিল তা। ঐ ফিরিশতাদ্বয় কাউকে একথা না বলে কিছু শিক্ষা দেয় না যে, আমরা এক মহাপরীক্ষার জন্য। সুতরাং তুমি (জাদু শিখে) কুফুরী করো না”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১০২]


আল কোরআনের সূরা সমূহ বাংলা অনুবাদ, ফজিলত, আয়ত, রুকু আরবি ও বাংলা উচ্চারণ  


ইসলামী বিধানে জাদুকরকে হত্যা করার কথা বলা হয়েছে। জাদুকরের উপর্জন অপবিত্র ও হারাম। জ্ঞানপাপী, অত্যাচারী ও দুর্বল ঈমানের লোকেরা অন্যের সঙ্গে শত্রুতা ও জিঘাংসা চরিতার্থ করার জন্য জাদুকরদের নিকটে যায়।

অনেকে আবার জাদুর ক্রিয়া দূর করার জন্য জাদুকরের শরণাপন্ন হয়। এজন্যে যাওয়াও হারাম। বরং তাদের উচিত ছিল আল্লাহর শরণাপন্ন হওয়া এবং আল্লাহর কালাম যেমন সূরা নাস, ফালাক ইত্যাদি দিয়ে আরোগ্য লাভের চেষ্টা করা।

গণক ও ভবিষ্যদ্বক্তা উভয়েই আল্লাহ তা‘আলাকে অস্বীকারকারী কাফিরদের দলভুক্ত। কারণ, তারা উভয়েই গায়েবের কথা জানার দাবী করে। অথচ আল্লাহ ছাড়া কেউ গায়েব জানে না।

অনেক সময় তারা সরলমনা লোকদের সম্পদ লুটে নেওয়ার জন্য তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে ফেলে। এজন্য তারা বালুর উপর আঁকি-বুকি, চটা (বাটি বা থালা) চালান, হাতের তালুতে ফুঁক, চায়ের পেয়ালা, কাঁচের গুলী, আয়না ইত্যাদি উপকরণ ব্যবহার করে থাকে।

এসব লোকের কথা একটা যদি সত্য হয় তো নিরানব্বইটাই হয় মিথ্যা। কিন্তু গাফিলরা এসব ধোঁকাবাজ- মিথ্যুকদের এক সত্যকেই হাযার সত্য গণ্য করে নিজেদের ভবিষ্যৎ ভাগ্য, বিয়ে-শাদী, ব্যবসা-বাণিজ্যের শুভাশুভ তাদের নিকট জানতে চায়। তারা হারানো জিনিস কোথায় কীভাবে পাওয়া যাবে তা জানার জন্য তাদের নিকটে ছুটে যায়। যারা তাদের কাছে গিয়ে তাদের কথা বিশ্বাস করে, তারা কাফের এবং ইসলাম থেকে বহির্ভূত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«مَنْ أَتَى كَاهِنًا، أَوْ عَرَّافًا، فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُولُ، فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ»
“যে ব্যক্তি গণক কিংবা ভবিষ্যদ্বক্তার নিকটে যায় এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করে, সে নিশ্চিতভাবেই মুহাম্মাদের ওপর যা নাযিল হয়েছে তা অস্বীকার করে।(মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ৯৫৩২; সিলসিলা সহীহাহ, হাদীস নং ৩৩৮৭)

যে ব্যক্তি তারা গায়েব জানে না বলে বিশ্বাস করে কিন্তু অভিজ্ঞতা কিংবা অনুরূপ কিছু অর্জনের জন্য তাদের নিকটে যায় সে কাফির হবে না বটে, তবে তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবে না। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ، لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً»
“যে ব্যক্তি কোনো ভবিষ্যদ্বক্তার নিকটে যায় এবং তাকে কিছু জিজ্ঞেস করে, তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবে না”।(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৩০; মিশকাত, হাদীস নং ৪৫৯৫)
তবে তাকে সালাত অবশ্যই আদায় করতে হবে এবং বিশেষভাবে তওবা করতে হবে


আল কোরআনের সূরা সমূহ বাংলা অনুবাদ, ফজিলত, আয়ত, রুকু আরবি ও বাংলা উচ্চারণ  


জাদু একটি কুফরি ও ধ্বংসের কাজ। বড় গোনাহের মধ্যে জাদু অন্যতম। জাদুর কারণে মানুষের নেক আমলগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। জাদুকরদের জন্য পরকালে কোনো অংশ নেই বলে কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ উল্লেখ করেছেন। এটি কবিরা গোনাহ।


শয়তানের মূল মিশন হলো মানুষকে সত্য ও ন্যয়ের পথ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া। শয়তান এ মিশন বাস্তবায়নে জাদুকে হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করছে। সে কারণেই কুরআন-সুন্নায় জাদুকে কুফরি ও ধ্বংসকারী কাজ হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে জাদু করা শয়তানের কাজ।


মানুষের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কিংবা আমিত্ব প্রকাশের উদ্দেশ্যে যদি কেউ জাদু বিদ্যা প্রয়োগ করে তাও কুফরি এবং তা বড় গোনাহের কাজ। এর ভয়াবহতাও মারাত্মক। কুরআন এবং হাদিসে তা থেকে বিরত থাকতে তাগিদ দেয়া হয়েছে।


জাদু কুফরি কাজের অন্তর্ভুক্ত। এ কারণে জাদুকর এবং জাদু করা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে দীর্ঘ বক্তব্য তুলে ধরেন-


তারা ঐ শাস্ত্র বা বিদ্যার অনুসরণ করলো, যা (হজরত) সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেননি; শয়তানরাই কুফর করেছিল।
তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত।


তারা (হারুত-মারুত) উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না।


অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যা দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তাদ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে।
তারা ভালরূপে জানে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্মবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।(সুরা বাকারা : আয়াত ১০২)



বর্ণিত আয়াতে জাদুকে কুফরি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর কুফরি করা হলো কবিরা গোনাহ। আর জাদু কবিরা গোনাহ হওয়ার কারণেই যারা এ গোনাহে জড়িত হবে, তাদের জন্য পরকালে কোনো অংশ বা প্রতিদান নেই ।


হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাদু থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। জাদুকে ধ্বংসকারী কাজসমূহের অন্তর্ভূক্ত করেছেন। হাদিসে এসেছে-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা সাতটি ধ্বংসকারী বস্তু থেকে বেঁচে থাক। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! সেগুলো কি?


তিনি বললেন- ১. আল্লাহর সাথে শরিক করা; ২. জাদু করা; ৩. উপযুক্ত কারণ ছাড়া কাউকে হত্যা করা; ৪. আর আল্লাহ যা হারাম করেছেন তথা- সুদ খাওয়া; ৫. ইয়াতিমের মাল খাওয়া; ৬.জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করা; ৭. সতী-সাধ্বী সরলমনা নারীদের প্রতি অপবাদ দেয়া। (বুখারি)
এ হাদিসের আলোকেও জাদু ধ্বংসকারী কাজের মধ্যে একটি। এ কাজ থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক।


সুতরাং মানুষের আমল ধ্বংসকারী কুফরি কাজ জাদু থেকে বিরত থাকা ঈমানের একান্ত দাবি। কেননা, যে কোনো জাদুই ইসলামের সাথে কুফরি ও কবিরা গোনাহের শামিল।


মহান আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে জাদু থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। অন্তরে এ সম্পর্কিত চিন্তাভাবনা থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও জাদু বাধা। সেজন্য এটিকে হারাম ঘোষণা করলেন মহান আল্লাহ।

জাদু এক অদ্ভুত কর্মকাণ্ড। যা মানুষের বিবেককে গোলক ধাঁধায় ফেলে দেয়। সাধারণত মানুষ জাদুর মাধ্যমে আশ্চর্য রকমের কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে ফেলে। আল্লাহ তাআলা পূববর্তী যুগে যখন মানুষের হিদায়াতের জন্য আসমানি গ্রন্থ নাজিল করেন, তখন তাওরাত ও ইঞ্জিলের অনুসারীরা তা গ্রহণ না করে জাদুবিদ্যার প্রতি ঝুঁকে পড়ে। যার ধারাবাহিকতা তখন থেকে শুরু কুরআন নাজিলের সময়সহ এখনো পর্যন্ত রয়েছে। সংক্ষেপে জাদুর পরিচয় এবং এর বিধান তুলে ধরা হলো-

জাদুর পরিচয়-
>> গোপন অদৃশ্য উপকরণকে কাজে লাগিয়ে অভিনব কারিশমা দেখানোকে জাদু বলে। জাদুবিদ্যা অর্জনের জন্য অদৃশ্য উপকরণ বলতে গ্রহ-নক্ষত্র, জিন-শয়তানের সহায়তা লাভ করতে কুফরি, শিরকি ও পাপাচারকে অবলম্বন করা। যার মাধ্যমে অদৃশ্যভাবে মানুষের ক্ষতিসাধন করা হয়।
>> বিশেষ ধরনের সাধনা ও যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমেও এ বিদ্যা অর্জিত হয়। এগুলো মুশরিক ও জাহেলি যুগের লোকদের মাঝে প্রাচীনকাল থেকেই এর বহুল প্রচলন ছিল। যার রেশ এখনো রয়েছে। ইসলামি শরিয়তে এগুলো হারাম ও চরম অবৈধ এবং গোনাহের কাজ।

জাদুবিদ্যার বিধান
হজরত সুলাইমান আলাইহিস সালামের শরিয়তে জাদু নিঃশর্তভাবে কুফরি তথা নিষিদ্ধ ছিল। আর দ্বীনে ইসলামিতে জাদুবিদ্যার সামান্য বিশ্লেষণ রয়েছে।
>> জাদুবিদ্যা অর্জনকে কেউ কেউ হারাম আবার কেউ কেউ মাকরূহ এবং অনেকে মুবাহ বলে মনে করেন। জাদু করার নিয়তে শিখলে তা হারাম বা অবৈধ। তবে কেউ যদি আত্মরক্ষামূলক কাজে ব্যবহারের জন্য জাদুবিদ্যা অর্জন করে তবে তা মুবাহ বা মাকরূহ।

>> তবে মূল কথা হলো জাদু করাকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করা কুফরি। কেননা কুরআন এবং হাদিসে জাদুকে যথাক্রমে অনিষ্টকর বিদ্যা এবং ধ্বংসাত্মক কাজ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

>> জাদুবিদ্যাকে হালাল মনে করার কোনো সম্ভাবনাই নেই। কেননা গণক, জ্যোতিষ বা জাদুবিদ্যা পারদর্শীদের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কঠোর হুশিয়ারি ঘোষণা করেছেন। হাদিসে এসেছে- যে ব্যক্তি গণক, জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে ভবিষ্যত সম্পর্কে জানতে চায়, চল্লিশ দিন পর্যন্ত তার নামাজ কবুল হয় না (নাউজু বিল্লাহ)

অন্য হাদিসে এসেছে, ‘জ্যোতিষী হলো গণক; আর গণক হলো জাদুকর।

পরিশেষে...
জাদুবিদ্যা অর্জন করা, জ্যোতিষী বা গণকের কাছে যাওয়া এবং তাদের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করা- এ সবই ঈমানের পরিপন্থী কাজ। সুতরাং জাদুবিদ্যা অর্জন থেকে মুমিনের বিরত থাকা অপরিহার্য কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জাদুবিদ্যার ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করুন। কুরআন-হাদিসের আমলি জিন্দেগি যাপন করে খাঁটি মুমিন হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ও

আল কোরআনের সূরা সমূহ বাংলা অনুবাদ, ফজিলত, আয়ত, রুকু আরবি ও বাংলা উচ্চারণ  

আমাদের নতুন ইসলামিক নিউজ ও জিজ্ঞাসা ভিত্তিক সাইড

Islamic Info Hub ( www.islamicinfohub.com ) আজই ভিজিড করুন !! 

Post a Comment

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.